শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১

কতটা ধার্মিক আমরা হয়েছি আজকাল?



বাংলাদেশ পীর আউলিয়ার দেশ, এলাকায় এলাকায় মাজারের দেশ!
ধর্মপ্রান এ দেশের মানুষের ধর্মভীতি এতটাই যে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের মক্কা-মদিনা ঘুরে আসতে হয় ভোটের প্রত্যাশায়! প্রচারনা শুরু করতে হয় শাহ্ জালাল(রাঃ) ও শাহ্ মকদম(রাঃ) মাজারের সিন্নি খেয়ে! এ দেশে টিভি চ্যানেলে সংবাদ পাঠিকাদের মাথায় কাপড় ওঠে রমজানে! হাজার কোটি টাকা অপচয়ে, মুক্তিযোদ্ধার নাম পাল্টে আউলিয়ার নাম বসে বিমানবন্দরে! মন্ত্রীসভায় আল্লার মালেরা মন্ত্রী হয়! শেয়ার বাজার দরবেশ বাবার আশির্বাদে ওঠানামা করে! মন্ত্রীসভার নতুন আউলিয়া, স্বাভাবিক মৃত্যুর ডেড সার্টিফিকেট প্রদান করে!
১৫ সেপ্টেম্বর’১১ রাজধানীর এক অভিজাত হোটেলে স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যান প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির বলেছেন- “ধর্মমতে মুসলমানদের কোন অকাল মৃত্যু নেই। তারেক- মিশুক তাদের জন্য নির্ধারিত সময়েই মারা গেছেন”। [সুত্র-প্রথম আলো।]
আমি বিষ্মিত, বিমূট, হতবাক! কতটা বোধহীন এ সমাজ, বোধহীন আমরা! মজিবর রহমান ফকিরের তো ধর্মমন্ত্রী হবার কথা! আমার প্রশ্ন, “আরোগ্যতো আল্লাহ’র হাতে”, তাহলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দরকার কি?
স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রী কি পারবেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলতে- “১৫ আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে হত্যাকান্ড কোন হত্যা নয়! আল্লাহ্’র ইচ্ছায় নির্ধারিত সময়েই তারা মারা গেছেন!! ১৫ আগষ্ট কোন শোকদিবস নয় বরং নির্ধারিত মৃত্যু দিবস!!!
হয়তো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কথাটিকে সহজভাবেই নেবেন! কারন রাজনীতিতো বাতাস বুঝে পালতোলা, ৮৫% মুসলিম অধ্যাসিত দেশে ধর্মের অনুভূতি বুঝে পাল না তুললে কিভাবে চলে, একটু ধার্মিক না হলে কি আর হয়!!!

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১১

মাগো, আমার বাঁচার মতো অধিকার গুলো কৈ?

পুরোনো দিনের স্মৃতিগুলো আমাদের সকলকেই নাড়া দেয়। অতীতের সুখস্মৃতি আর বর্তমানের অভাববোধগুলো যখন সংঘর্সে লিপ্ত হয়, তখন নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়, বড্ড একা মনে হয়। যতীন্দ্রমোহন বাগচির সেই ছোট্ট মেয়ের মতো, যখন বাঁশ বাগানের মাথার ওপর চাঁদ ওঠে, ফুলের গন্ধে যখন ঘুম ভেঙ্গে যায়, তখন কাজলা দিদির কথা বড্ড বেশী মনে পড়ে! মেয়েটি মার কাছে জানতে চায়, মাগো আমার শলুক বলা কাজলা দিদি কৈ? যে প্রশ্নের কোন জবাব নেই তাই মা আঁচলে মুখ লুকায়!
মেয়েটি যদি আরেকটু বড় হতো তাহলে হয়তো বাড়ন্ত বিবেকে গলা ছেড়ে গাইতো-"আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম"। কিন্তু বড়দের মতো গলা ছাড়ার বিলাসিতা তার কোথায়! তার গলাতো স্তব্ধ হয়ে আসে, কাজলা দিদি তুমি কৈ, কৈ?
আজকাল যখন দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে প্রকট হয় আমাদের মতো মধ্যবিত্তের দারিদ্র, যখন বিকিয়ে যেতে দেখি আমার সুখ সাচ্ছন্দ্য এমনকি বাঁচার মতো নুন্যতম অধিকারগুলো, তখন গলাটা আমার স্তব্ধ হয়ে আসে! প্রধানমন্ত্রীকে বলতে ইচ্ছে করে, তুমিতো দেশের মা....মাগো আমার বাঁচার মতো অধিকার গুলো কৈ?

খাদ্য


প্রতি বছর যখন বাজেট অধিবেশনে কালো ব্রীফকেস হাতে হাস্সোজ্জল অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে সংসদে ঢোকেন! আমি মিলাতে পারিনা, কারন ব্যাগ হাতে আমি যখন বাজারে ঢুকি আমার হাসি মিইয়ে যায়। আমার জানতে ইচ্ছে করে, অর্থমন্ত্রীর সেই ব্রীফকেস কিসের চামড়ার? সেটা কি গন্ডারের! যে চামড়া ভেদ করে দ্রব্যমূল্যের উত্তাপ কিম্বা দূঃখ তাকে স্পর্শ করে না!
বাজারে এখন চাল-৩৭/৪২ টাকা(kg), তেল-১৩০ টাকা(L.), ডাল-১০০ টাকা(kg), মাছের আর সবজির বাজার যেন পৃথীবিতে নয় বরং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধে! উত্তাপে আর উষ্নতায় জীবনের সন্ধান পাওয়া যায় না! শুনেছি প্রতিদিন নাকি একজন মানুষের ২৫০ গ্রাম শাক আর ২৫০ মিলি দুধ খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু গ্রাম থেকে শহরে পড়তে আসা ছেলেটির বাবা শত কষ্টে যতই বলুক "আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে", কিন্তু সামান্য ভাত তরকারীর ব্যবস্হা করতেই তার মাথার ঘাম গায়ে শুকায়! পরিশ্রমী শরিরের সে ঘাম পা পর্যন্ত পৌছেই না!

বস্ত্র

নাইকি অ্যাডিডাসের কথা বাদই দিলাম, আমার দেশের সেলাই দিদিমনিদের সেলানো পোশাক সস্তা দামে বাজারে পাই না, ওসব নাকি বিদেশী দাদাদের জন্য! আমার গর্ব বুকটা ফুলে ওঠে- এশিয়ার সর্ব বৃহত শপিংমল আমার দেশে। যদিও আমি সেখানে যাই ঘুরতে, প্রচন্ড গরমে সময় কাটানোর জন্য এসির বাতাস খেতে, কিন্তু কিছু কেনার সাহস হয় না। হায়রে গর্ব! একসময় আমরা গর্ব করতাম, সর্ব বৃহত পাটকল(আদমজি) আমাদের, আর এখন গর্ব করি সর্ব বৃহত শপিংমল আমাদের! কিন্তু সেখান থেকে কিছু কেনার সামর্থ আমার নেই...তবে গর্ব আছে....আর এ গর্বটাইতো আমাদের মধ্যবিত্তের একমাত্র অবলম্বন! উচ্চবিত্তের সিটি আর ফিউচার পার্ক না হয় বদই দিলাম, নিউমার্কেটে জিন্স কিম্বা এ্যলিফ্যান্ট রোডে জুতা দেখার সময় আর্থিক সীমাবদ্ধতায় সংযম খুঁজি- চলছে তো....চলুক না আর কিছু দিন! এরপর আমার কোন বন্ধু যখন রং চটা জিন্স দেখে বলে- দোস্ত জটিল স্টাইল। হা..হা..আমি হাসি....আঁখি জলে ভাসি....!

বাসস্থান

মিরপুরে আমি ৭ তলা যে বাসায় থাকি, দুই রুম-৮,০০০ টাকা(বিদ্যু, পানি, গ্যাস বিল আলাদা)। লিফট বিহীন বাসার সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে আমি ভাবি, এ বাসার অনুমোদন কয় তলার? ৭ তলার নাকি ৫ তলার? এটা কি দেখার কেউ আছে? এরপরও যখন কয়েক মাস পর পর বিদ্যু, পানি, গ্যাস বিল আর বছর শেষে বাসা ভাড়া বাড়ানোর কথা শুনি, তখন ভাবি কি আর করবো, আর কোথায়বা যাবো? আমি তো আর বাংলা ছবির নায়ক নই যে কষ্টে গাইবো- "ঘর ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়"। তাই কি আর করা, ছোট ঘরে আকাশসম ভাড়া দিয়ে থাকতে হচ্ছে....থাকতে হবে।

শিক্ষা


উচ্চশিক্ষার জন্য সবচেয়ে প্রতিযোগীতামূলক(সবচেয়ে নিষ্ঠুর) যে প্রতিযোগীতায় অবতীর্ন হয়েছিলাম, তা একপ্রকার বিশ্বভ্রমন! ঢাকা-রাজশাহী-চট্টগ্রাম-খুলনা। আমাদের মধ্যে যারা তুলনামূলক মেধাবী তারা সুযোগ পেলো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর অন্যরা? শিক্ষা যাদের কাছে পন্য, মাছের বাজার! আপনার টাকা আছে ইলিশ মাছ খাবেন, নেইতো পুটি মাছই সম্বল। আপনার টাকা আছে, কোনো দামী-নামী প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবেন, না থাকলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কিম্বা পাস কোর্সে। তারপরও দুশচিন্তা, কটার ট্রেন কটায় ছাড়ার মতো ৪ বছরের অনার্স কয় বছরে শেষ হবে?
বর্তমান T20'র যুগে সেশন জটে উচ্চশিক্ষা পরিনত হয়েছে কয়েক বছরের টেস্টে। তবুও যদি শিক্ষার পরিবেশ থাকতো! ভর্তি বানিজ্য, হল দখল, টেন্ডারবাজী, মাদকব্যবসা সে তো সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের মেইন সাবজেক্ট, আর শিক্ষা যাদের কাছে নন মেজর।
তবে শিক্ষা নামক মাছের বাজারে আমার প্রাপ্তি পুটি মাছ! মেলা থেকে তালপাতার বাঁশি কেনার মতো, আমার মেধা আর সামর্থে পুটি মাছ ছাড়া ভালো কিছু জোটেনি। তারপরও ভয় হয়, এ মাছ কি ফরমালিন বা প্রিজারভেটিব মুক্ত?

চিকিৎসা

আমাদের দেশের রাজনীতিবীদেরা দেশের বাহিরে কি চেনেন???
উত্তর- নির্বাচনের আগে মক্কা-মদীনা আর অসুস্থ্য হলে সিংগাপুরের মাউন্ট এলিজাবেদ হাসপাতাল! এ দেশের রাজনীতিবীদ আর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যেভাবে গনহারে মাউন্ট এলিজাবেদে ভর্তি হন, আমার মনে হয় পৃথিবী তথা সিংগাপুরের একমাত্র হাসপাতালের নাম 'মাউন্ট এলিজাবেদ'। আমি ভাবছিলাম, কখনো অসুস্থ্য হলে যাব সিংগাপুর ভর্তি হবো মাউন্ট এলিজাবেদে.....বাংলাদেশী শুনলে নিশ্চই ডিসকাউন্ট দেবে....হাজার হোক, তাদের এতো ক্লাইন্টের দেশ! কিন্তু পরক্ষনে ভাবি, ডিসকাউন্টতো দূরের কথা পুরা ফ্রি করে দিলেও সম্ভব নয় কারন আমার সিংগাপুর যাবার টাকা নেই.....এ দেশের সাধারন মানুষেরও নেই.....আমার সামর্থ নেই কোন হাসপাতালে উচ্চ ভিজিটে ডাক্তার দেখিয়ে অন্তত ৪-৫ টি টেস্টের প্রেসকিপসন লেখিয়ে টেস্টগুলো করানো(৬০০০-১০০০০টাকার মামলা, কিম্বা কমিশন বানিজ্য) এবং আবারো ভিজিট দিয়ে সে একি ডাক্তারকে রিপোর্ট দেখিয়ে প্রেসকিপসন নিয়ে উচ্চমূল্যের ঔষুধ(ডাক্তারের কমিশন খাওয়া কোম্পানির) কেনার। তাই ভাবছিলাম, সিংগাপুর না হোক হেমায়েতপুর(পাবনা) যাবো। অসুস্থ্য সমাজের একজন হিসাবে মানষিক চিকিৎসা নিয়ে আসবো। কিন্তু সেখানে যে চিকিৎসা খরচ কত কে জানে?

 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাগো বাংলার আর আট দশটা মায়ের মতো তুমি কিছুই জানো না! তুমি শুধু জানো ঘুমপাড়ানী গান শোনাতে....আমার স্বপ্নের ধানগুলো কোন বুলবুলিতে খাচ্ছে, খেয়েছে? স্বপ্নের রাজ্যে কোন বর্গি এসেছে? আমার ঘুম আসে না। আমি হিসাব মেলাতে পারি না.....জানি কোন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টও এ হিসাব মেলাতে পারবে না। তুমি কি আমায় মিলিয়ে দেবে, খুঁজে দেবে আমার অধিকার গুলো?

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১১

রাষ্ট্রপতি কি মাতৃ প্রধান পরিবারের অসহায় পতি? নাকি সংসদীয় গনতন্ত্রের শোভা বর্ধনকারী অলংকার!


বেশ কদিন ধরে পত্রিকায় মৃত্যু, হত্যা, যৌননিপিড়ন, আর ধর্ষনের রিপোর্ট দেখতে দেখতে অনুভূতি গুলো ভোতা হয়ে গেছে! এখন মনে হয় অসুস্থ্য এ সমাজে ধর্ষন বা যৌননিপিড়নই একমাত্র বিনোদন! আর মৃত্যু বা হত্যা স্বাভাবিক নিয়তি!
মিরসরাইয়ে যে এতগুলো প্রান ঝড়ে গেলো, তা কি শুধুই দূর্ঘটনা নাকি চালকরূপী হেলপার কিম্বা হেলপার রূপী যমদূতের সুনিপুন কাজ! আমিনবাজারে ডাকাত সন্দেহে আঘাতে আঘাতে যে ছয় ছাত্রে করুন মৃত্যু হলো তা কি এলাকাবাসীর নিরপত্তা সচেতনতা নাকি উত্তেজনার অতিসজ্জে বিকেকহীনতা!
এতো হত্যা! বিকৃত চিন্তায় হত্যা!
তবুও অবাধ্য মন কিছু যদির মাঝে বন্দি হয়ে যায়.......।
যদি মিরসরাইয়ে সেই ট্রাকটা চালক চালাতো, তাহলে হয়তো এতোগুলো প্রান ঝড়তো না।
যদি আমিনবাজারে একজন এলাকাবাসীরও অনুভূতি কাজ করতো, তাহলে হয়তো শবে বরাতের রাতে সেই ছয় ছাত্রের ভাগ্যলীপি অন্যভাবে লেখা হতো!
কিন্তু যখন পত্রিকায় পড়ি- "খুনিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা", লক্ষীপুরের নুরূল ইসলাম হত্যা মামলার ফাঁসির দন্ডাদেশ পাওয়া আসামি এ এইচ এম বিপ্লবকে রাজনৈতিক বিবেচনায় ক্ষমা করেছেন রাষ্ট্রপতি! তখন আমার চিন্তাকে আর কোনো যদির মাঝে বন্দি করতে পারি না। এটাও তো হত্যা! সামাজিক শৃংখলাকে হত্যা, বিচারপ্রার্থী সমাজকে হত্যা, বিচার ব্যবস্হা কে উপর্যপরি ধর্ষন ও হত্যা!
মিরসরাইয়ের সেই চালকতো ছিলো- চালকরুপী হেলপার। আমিনবাজারে এলাকাবাসীরতো লোপ পেয়েছিলো বিচারবোধ।
কিন্তু মহামান্য রাষ্ট্রপতি, আপনি কি? আপনি ও কি রাষ্ট্রপ্রতি রুপী সেই হেলপার? বয়সের ভারে আপনার ও কি লোপ পেয়েছে বিচারবোধ? আপনি কি মাতৃপ্রধান পরিবারের অসহায় পতি নাকি সেই ঘরজামাই, যার কোন ব্যক্তিত্ব থাকতে নেই! কৃতজ্ঞতায় যাকে শশুরবাড়ীর অনেক অন্যায় আবদার মাথা পেতে নিতে হয়! রাষ্ট্রপতি পদের কৃতজ্ঞতায় কি রাজনৈতিক বিবেচনায় মাথা পেতে সই দিতে হবে? নাকি আপনি সংসদীয় গনতন্ত্রের শোভা বর্ধনকারী অলংকার, পুতুল নাচের পুতুল-"যেমনে নাচাও তেমনে নাচি পুতুলের কি দোষ"!
মহামান্য রাষ্ট্রপতি হয়তো আমারি ভুল! আপনিতো ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছেন, আপনার পূর্বে যিনি এ পদে ছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, তিনিও দলীয় বিবেচনায় কানাডা প্রবাসী জিন্টুকে ক্ষমা করেছিলেন।
হয়তো রাষ্ট্রপতি হলেই ক্ষমার অধার হতে হয়! ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে শোভাবর্ধনকারী অলংকার হতে হয়! ইয়াজউদ্দিনকে ইয়েস উদ্দিন হতে হয়! জিল্লুর রহমানকে হতে হয় জি হুজুর রহমান!
প্লিজ, রাষ্ট্রপতি পদ কে আপনারা ইয়েস আর জি হুজুরের মাঝে বন্দী করবেন না। ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে পুতুল হবেন না।
আপনাদের পূর্বে এ পদে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, সাহাবুদ্দিন আহম্মেদের মতো ব্যক্তিরা। প্লিজ রাষ্ট্রপতি পদকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাদের ছোট করবেন না....প্লিজ....প্লিজ....!