শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১১

বড়াল ব্যবসায়িক ধান্দা, আর প্রভাবশালীরা স্বার্থের জালে বান্ধা!

বাংলা বাউল সংগীতের কিংবদন্তী সম্রাট শাহ্ আব্দুল করিম জন্ম গ্রহন করেন ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী সুনামগন্জের উজান ধলের কালনী নদীর তীরে। যিনি মাঠের টানে, মাটির গানে নিজেকে সমর্পন করেছিলেন। কালনীর ঢেউ ও বাতাস যাকে সাধক পুরুষে পরিনত করেছিলো। সহজ ভাষায় সুরের ইন্দ্রজাল তৈরি করে মানুষের হৃদয়ে যিনি স্হান করে নেন। ছোটবেলায় যে রাখাল বালক কালনীতে চলা নৌকা দেখে মুগ্ধতায় গেয়েছিলেন-
"কোন মেস্তরি নাও বানাইছে কেমন দেখা যায়, ঝিলমিল ঝিলমিল করেরে ময়ুরপঙ্গী নাও"
লক্ষ্যনীয়, শাহ্ আব্দুল করিম একজন মরমী সাধক ছিলেন এবং উল্লেখিত গানে তিনি নৌকাকে শুধু নাও না বলে ময়ুরপঙ্গী নাও বলেছেন। তবে কি তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, নদীমাতৃক এ দেশ একদিন আন্তর্জাতিক নদী আগ্রাসনের শিকার হবে? আর এ দেশের দোষরেরা নদীকে নিয়ে ব্যবসায় মেতে উঠবে! যখন নাও পানিতে নয় বরং ময়ুরপঙ্গী হয়ে ভাসবে আকাশে! মৃত্যুর আগে তিনি বলেছিলেন-
"আমি মরে গেলে আমার হাড়গুলো নিয়েও বানিজ্য হবে"
তিনি কি বুঝেছিলেন, বাঁধ দিয়ে নদীকে হত্যার পরও সে নদী নিয়ে বানিজ্য হবে? তিনি কি কখনো কল্পনা করেছিলেন কালনীর ঢেউ একদিন থেমে যাবে, যেদিন বাংলাদেশে আর কোন নদী থাকবে না! ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেমবরে মারা যান এ বাউল সম্রাট। তার মৃত্যুর পর সত্যি তার হাড় বা তার গানগুলি নিয়ে বাজেভাবে ব্যবসা চলছে। যেমন ব্যবসা চলছে বাঁধ দিয়ে হত্যার পরও বড়াল নিয়ে! শাহ্ আব্দুল করিমের মৃত্যুর প্রায় দুই বছর পর আরেক শাহ্(চাটমোহরের ইউএনও ফিরোজ শাহ্) হয়তো নদী, মৃত্যু নিয়ে কল্পনা আর উপলব্ধি দিয়ে সাধক পুরুষ হবার চেষ্টা করছেন! ১ জুন সাপ্তাহিক নয়া আন্দোলন পত্রিকায় প্রথম কলাম রিপোর্টে এসেছে- ৩০ মে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আর্সেনিকোসিস রোগ নির্নয় ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষন ওয়ার্কশপে সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন- একসময় আসবে যখন আমাদের দেশে কোনো নদী থাকবে না...........! যদিও জনাব শাহ্ এ কথার পেছনে কোনো তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেননি! হতে পারে তার এ বক্তব্য পরিসংখান নির্ভর নয় বরং আত্মীক। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, শাহ্ আব্দুল করিম, লালন শাহ্ মরমী সাধকদের মতো ফিরোজ শাহ্'র এ আত্মীক সাধনা প্রকৃতি ও স্রষ্টার প্রতি নাকি এ আত্মীক বন্ধন বড়াল ব্যবসাহীদের সাথে? আমি ভাবছিলাম,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে করা সেই ঐতিহাসিক পঙ্গতি-
"যতোদিন রবে পদ্মা মেঘনা যমুনা সুরমা বহমান, ততোদিন রবে কৃর্তি তোমার শেখ মুজিবর রহমান"
রুপক অর্থে ব্যবহৃত কথাটি এটাই বোঝায় যে, বাংলাদেশের অস্তিত্ব ততোদিন থাকবে যতোদিন নদী থাকবে আর বাংলাদেশের অস্তিত্ব যতোদিন থাকবে বঙ্গবন্ধুর কৃর্তি ততো দিন থাকবে। তবে কি ফিরোজ শাহ্'র মতে- একসময় আসবে যখন আমাদের দেশে কোনো নদী থাকবে না, সেদিন কি পদ্মা মেঘনা যমুনা বহমান না থাকায় বঙ্গবন্ধুর কৃর্তিও থাকবে না? সে সময় কি বাংলাদেশের অস্তিত্বও থাকবে না? আমি ভাবছিলাম, এক সময় বাংলাদেশে কোন নদী থাকবে কি থাকবে না তার চেয়েও বড় প্রশ্ন, যখন বদ্ধ বড়াল প্রবাহমান হবার স্বপ্ন দেখছে, যখন বড়ালকে নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তখন মি. শাহ্'র এমন বক্তব্য কি ষড়যন্ত্রকারীদের স্বার্থ রক্ষা করছে না? তাকে বুঝতে হবে, কারো মা চিরকাল বেঁচে থাকেনা তাই বলে সন্তান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগে মার জন্য কাফনের কাপড় কেনে না! বরং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সর্বস্য দিয়ে মাকে বাচানোর চেষ্টা করে। তাই একসময় নদী থাকবে কি থাকবে না তার চেয়ে বড় কথা নদীমাতৃক বাংলাদেশে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সর্বস্য দিয়ে নদী বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে। একই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য উপজেলা চেয়ারম্যান এড. একেএম সামসুদ্দিন খবির বলেন- বড়াল নদী উন্মুক্ত করে জনগনের কতটুকু স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে তা দেখতে হবে। খালি মিছিল মিটিং ও মাইকিং করা হচ্ছে। বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। যদিও উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন নি কোনটা সত্য আর কোনটা ভ্রান্ত? কারা ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি আর কারা বিভ্রান্ত? সত্য তো এটাই, বড়ালে যখন বাঁধ দেয়া হয় তখন তিনি এ এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন। এ অপকর্মের দায় তিনিও কি এড়াতে পারেন? তিনি কেনো সেদিন বাধা দেননি? সত্যতো এটাই, তিনি নিজেও বড়াল নদী রক্ষা আন্দোলনের মিছিল মিটিংএ অংশ নিয়েছেন! বড়ালে বাঁধ ভেঙ্গে সুদৃশ্য ব্রীজ করার ঘোষনা তিনিই দিয়েছিলেন! বড়াল নদী রক্ষা আন্দোলনের মিছিল মিটিং যদি বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়, তাহলে তো তিনিও একদিন বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। বড়ালে বাধ ভেঙ্গে ব্রীজ করার ঘোষনা কি বিভ্রান্ত করা ভোটের রাজনীতি? অথচ তিনিই দোষ চাপাচ্ছেন বিভ্রান্ত করার! শাহ্ আব্দুল করিম হয়তো এজন্যই গেয়েছিলেন-
"আমি তোমার কলের গাড়ি তুমি হও ড্রাইভার, তোমার ইচ্ছায় চলে গাড়ি দোষ কেনো পড়ে আমার"?
সত্যি আমরা জনপ্রতিনিধিদের কলের গাড়ি! তাদের ইচ্ছায় এ গাড়ি চলবে, তাদের ইচ্ছায় নদীতে বাঁধ হবে, ব্রীজ করার ঘোষনা হবে, নদীর মধ্যে বাঁধ দেয়া হবে, বড়াল নিয়ে ব্যবসা হবে। অথচ দোষ হবে........! আজ বড়ালের কান্না শোনার লোক নেই, বড়াল পাড়ের মানুষের আক্ষেপ বোঝার লোক নেই। বড়ালে কান পাতলেই হয়তো শোনা যাবে সে বাস্তবতা, কালনী পাড় থেকে ভেসে আসা শাহ্ আব্দুল করিমের গান-
"শুনবে কি বুঝবে কি ওরে মন ধুন্ধা, এ দুনিয়া মায়ার জালে বান্ধা"
সত্যি বড়াল আজ অনেকের ব্যবসায়িক ধান্দা, যারা মায়ার জালে, স্বার্থের জালে বান্ধা। ১০ জুন'১১।

রবিবার, ১ মে, ২০১১

সিগারেটের মূল্যবৃদ্ধি, ফুসফুস নাকি চিন্তার ক্যানসার!!!

সিগারেটের দাম বেড়েছে!!!
অনেকেই দেখি খুশি হয়েছে! যে খুশির প্রকাশ ফেসবুক-এর স্ট্যাটাস হয়ে ব্লগেও আলোড়িত হচ্ছে।
আমি ভাবছিলাম, এ খুশির কারন কি শুধুই ধুমপানের ক্ষতি নাকি আমাদের নির্বুদ্ধিতা!!! সিগারেটের দাম বেড়েছে কিন্তু কারা বাড়িয়েছে?? সরকার কি অতিরিক্ত দামের মূল্য সংযোজন কর(ভ্যাট) পাচ্ছে??
সরকার তো দাম বাড়ায়নি? সরকার তো ভ্যাট পাচ্ছে না? তবে কারা, ধুমপানের ক্ষতির জুজু তুলে অবৈধ ভাবে দাম বাড়িয়ে কোটি কোটি টাকা অতিরিক্ত মুনাফা লুটে নিচ্ছে?
এরাতো সেই কপট, যারা ক্যান্সারের বিষ হাতে তুলে দেয় সঙ্গে সতর্কবার্তা-"ধুমপান ফুসফুস ক্যান্সারের কারন" বলে নিজেদের দায় মোচন করে নেয়। এরাই দাম বাড়িয়ে মুনাফা লুটে নেয় আর আমাদের বুঝিয়ে দেয় দুধের দাম নয় বিষের দাম বেড়েছে...তালিয়া।
আমরাও খুশি মনে তালি বাজাই........আমি ভাবছিলাম, এরা সিগারেট দিয়ে আমাদের ফুসফুসের কতটা ক্ষতি করেছে জানিনা, তবে প্রতারনায় যে আমাদের চিন্তা শক্তি পঁচিয়ে দিয়েছে সে লক্ষন স্পষ্ট!!!

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১১

ব্যক্তিত্বহীন সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয় শিক্ষা!!!

জারো্লাভ সিফার্ট-এর জন্ম হয়েছিল ১৯০১-এ  একটি খেটে খাওয়া পরিবারে, চেক প্রজাতন্ত্রের জিজকভ শহরের উপকণ্ঠে। পরিবার ও শহরের দারিদ্র্য তাকে কমিউনিস্ট হতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। তিনি ১৯২১-এ কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। কিন্তু তাদের বলশেভিক চিন্তাধারার সমালোচনা তিনি করতে থাকেন এবং আট বছর পরে পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হন।
তিনি একাধিক কমিউনিস্ট পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের সম্পাদনা করতেন। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কমিউনিস্ট সরকারের কঠিন সমালোচনা করায় তিনি প্রভাবশালীদের বিরাগভাজন হন। সিফার্ট সাংবাদিকতায় লেগে থাকেন। সরকারের প্রতিবন্ধকতার মুখে সিফার্ট ১৯৪৯-এ এক পর্যায়ে সাংবাদিকতাও ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।
তিনি তার একক সংগ্রাম চালিয়ে যান। তিনি বহু রকমের লেখায়, বিশেষত কবিতা লেখায় মনোনিবেশ করেন। কিন্তু কমিউনিস্ট সরকার তার লেখালেখির ওপর কড়া নজর রাখে এবং তার অনেক লেখা অপ্রকাশিত থেকে যায়। ১৯৭৭-তে চার্টার ৭৭ মানব অধিকার ম্যানিফেস্টোতে সই দেয়ার জন্য তিনি ব্ল্যাক লিস্টেড হন।   তার কবিতা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ১৯৮৪-তে তিনি সাহিত্যে নোবেল প্রাইজ পান।  এবং এখন পর্যন্ত তিনিই একমাত্র চেক যিনি নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে সিফার্ট-এর শিক্ষাগত যোগ্যতা কি ছিলো?
এ বিষয়ে উইকিপিডিয়ায় কোন তথ্য না থাকলেও নোবেল প্রাইজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সিফার্ট এর বায়োগ্রাফিতে লেখা আছে তিনি সেকেন্ডারি স্কুলে যোগ দিয়েছিলেন। অর্থাৎ তিনি উচ্চ শিক্ষিত ছিলেন না বা কোন সার্ভিস কমিশনের ক্যাডারও  ছিলেন না। তবে কি সিফার্ট ভালো লেখক বা ভালো সাংবাদিক, সর্বপরি নোবেল পাবার যোগ্য ছিলেন না???
 হয়তো সিফার্টের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করা যেতে পারে কিন্তু চেক জনগণের কাছে সিফার্ট সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে। চেক জনগণ মনে করে তিনি ছিলেন একজন সাহসী ও প্রতিবাদী লেখক যিনি তার নীতির সঙ্গে আপস করেননি।  জারো্লাভ সিফার্ট ভাগ্যবান, তিনি বাংলাদেশে চাটমোহরের বড়াল তীরে জন্ম নেননি! তাহলে হয়তো তার যোগ্যতা হতো প্রশ্নবিদ্ধ এবং তিনি হতেন বিতর্কিত!
এই মুহূর্তে  আমি পড়ছিলাম, ৭ এপ্রিল দৈনিক চলনবিল'এর একটি রিপোর্ট। "ইউএনও'র সাংবাদিক জ্ঞান" শিরোনামে রিপোর্টে এসেছে- চাটমোহরের ইউএনও ফিরোজ শাহ্ স্থানীয় দুজন সাংবাদিকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করেছেন, সাংবাদিকদের অশিক্ষিত বলেছেন এবং তাদের বিসিএস উত্তির্ন হয়ে আসতে বলেছেন!!!
আমি ভাবছিলাম, উচ্চ শিক্ষিত ইউএনও তার বোধকে কতটা নিম্ন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন! কারন, লেখক কিম্বা সাংবাদিকের সৃষ্টিশীল পেশার  জন্য ভালো পড়াশোনা দরকার, পড়াশোনার ওপর ডিগ্রি নয়!(আমি বলছি না যে উচ্চ শিক্ষার দরকার নেই, আমার মতে, এ বিষয়ে উপদেশ হতে পারে, কটাক্ষ নয়)। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা নামে বিভাগ চালু আছে এবং এর ওপর পড়ালেখা করতে হয় তবুও বলবো সৃষ্টিশীল কাজে পড়ালেখা করে বোদ্ধা হওয়া যায় সৃষ্টিশীল মানুষ হওয়া যায়না, এ জন্য প্রয়োজন অনুশীলনের।  আর চাটমোহরের ইউএনও'র মতো বোধ যদি সিফার্টের থাকতো তাহলে হয়তো তিনি লেখালেখি ছেড়ে তার বাবার মতো কারখানার শ্রমিক হতো। এ বোধ যদি দুখুমিয়া'র থাকতো তাহলে হয়তো সে নজরুল না হয়ে আজীবন রুটির দোকানে কাজ করতো।
আমি আশা করছি, ইউএনও মি. শাহ্ এ বিষয়ে সিফার্টের জীবন থেকে শিক্ষা নেবেন এবং তার ভুল বুঝতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন হলো, এ থেকে চাটমোহরের সাংবাদিকেরা কি শিখবেন???
এ  প্রশ্নর উত্তর দিতে গেলে স্বভাবতই যে প্রশ্ন দুটি আসবে-
এক, ইউএনও'র বক্তব্য কি সাংবাদিকদের অপমানবোধ জাগ্রত করেছে?
উত্তর-না! কারন এ বক্তব্যের পরও চাটমোহরের সাংবাদিকেরা ঐক্যমতে পৌছাতে পারেনি। তারা মিলিত ভাবে প্রতিবাদ করেনি! সাংবাদিকদের একদল একটি রিপোর্ট, একটি ফলোআপ ও একটি মিটিং করলেও তা সম্ভবত অপমানবোধ থেকে নয় বরং অহংবোধ সমস্যা থেকে তাই তারা অল্পতে মিইয়ে গেছে বা থেমে গেছে। আর থামার মাধ্যমেই তারা ইউএনও'র বক্তব্য মেনে নিয়েছে, প্রমান হয়েছে ইউএনও সত্য বলেছেন!!!
দুই, ইউএনও যদি সত্য না বলে থাকেন এবং তার বক্তব্য যদি অপমানজনক হয়ে থাকে তাহলে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হলো না কেন?
উত্তর- সাংবাদিকদের দূর্বল ব্যক্তিত্ব।
তাই এ ঘটনা  থেকে চাটমোহরের সাংবাদিকেরা শিখতে পারে, ব্যক্তিত্ববান হতে এবং সিফার্টের মতো সাহসী, প্রতিবাদী ও আপসহীন হতে।-২৪এপ্রিল'১১।